দিনে কয় ঘন্টা পড়া উচিত

দিনে কয় ঘন্টা পড়া উচিত

দিনে কয় ঘন্টা পড়া উচিত

পড়ালেখায় ভালো করার আলাদা কোন নিয়ম নেই।নিয়মিত পড়ালেখা হচ্ছে ভালো করার উপায়।তারপরও কিছু টিপস আমরা এখানে উল্লেখ করে দিচ্ছি। 


 👉নিয়মিত পড়াঃ  ১ ঘণ্টা করে হলেও নিয়মিত পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। একদিন ১৮ ঘণ্টা পড়ে, পরের ৩০ দিন না পড়লে ভালো করা সম্ভব নয়। তাই নিয়মিত পড়ুন। 

👉পড়ার টেবিলে ফোন, ল্যাপটপ/পিসি এসব রাখবেন না। টেবিল থেকে দূরে রাখবেন। পড়ার সময় শুধু ই পড়া, এসময় ফেসবুক, টেক্সট, ফোনকল এসব কিছুই করবেন না।

👉পড়া সেটা যাই হোক, রিভাইস করার অভ্যাস করুন। সাথে সাথে লিখে ফেলার অভ্যাস করুন।

👉নিজেকে যাচাই করতে পুরানো প্রশ্নপত্র সল্ভ করুন। এতে আপনি বুঝতে পারবেন নিজের ভুল আর গ্যাপগুলো কোথায়।

👉নিজের বোঝা হয়ে গেলে সেটা কোন বন্ধুকে বোঝান। এতে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার বুঝতে কোথাও গ্যাপ আছে কিনা।

👉সাহায্য চাইতে লজ্জা পাবেন না। কিছু না পারলে বন্ধুদের জিজ্ঞেস করুন। 

👉বন্ধুরা যদি পড়ালেখার চাইতে অন্যকিছুকে প্রাধান্য দেন, তবে পড়ুয়া কারো সাথেও বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন।

👉ব্যায়াম করুন। সেটা ফ্রি হ্যান্ডও হতে পারে, অল্প একটু হেঁটে আসাও হতে পারে, আবার ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করেও হতে পারে। ব্যায়াম করলে মনোযোগ বাড়ে।

👉প্রতিদিন নিজেকে টার্গেট সেট করে দিন। টার্গেট পুরো করতে পারলে নিজেকে পুরস্কার দিন। এতে পড়তে ভালো লাগবে।
পড়তে আসলে কারোরই ভালো লাগে না, কিন্তু পড়ালেখা আমাদের সবাইকেই করতে হয়।পড়াটা আসলে যতটা না ভালো লাগা থেকে করতে হয়, তার চাইতে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হয়। 

কবে আমার পড়া ভালো লাগবে, তখন আমি পড়বো, সেই আশায় থাকলে আসলে কখনো পড়া হবে না। তাই পড়ার অভ্যাসটা একরকম নিজের সাথে জোর করেই গড়ে তুলতে হবে। শুরুতে আপনি এক সপ্তাহ টানা প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে পড়ুন। একেবারে না পড়ার চাইতে এটা অন্তত কিছু পড়া হলো। সহজে মেনে চলতে পারবেন এরকম একটা রুটিন করে রাখুন। 

দিনে ২/৩ ঘণ্টা করে প্রতিদিন পড়লেই কিন্তু অনেক পড়া হয়, ভালো ফলাফল লাভ করা যায়। প্রথম সপ্তাহের পর দ্বিতীয় সপ্তাহে সময়টা ১ ঘণ্টা করে ফেলুন। 

এরপরের সপ্তাহে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট, তারপরের সপ্তাহে ২ ঘণ্টা করে পড়ুন। প্রতি ৩০ মিনিট পরপর বিরতি নিবেন। নিজেকে একটা টার্গেট দিবেন, যেমন এই সপ্তাহে বাংলা দুটা কবিতা পড়তে হবে। টার্গেট পূরণ করলে নিজেকে উপহার দিন। সেটা বন্ধুদের সাথে কিছুক্ষণ আড্ডা দেওয়া, নতুন গল্পের বই পড়া, পছন্দের কিছু খাওয়া বা আপনার পছন্দের যে কোন কিছুই হতে পারে। সপ্তাহে ১ দিন পুরো সপ্তাহের পড়াগুলো রিভাইস করুন, মাসে দুবার পুরো মাসের পড়াটা রিভাইস করুন।
 পড়ার পাশাপাশি বারবার লিখে লিখে জিনিসগুলো প্র্যাকটিস করুন। এতে পড়া বেশ মনে থাকে। পুরানো প্রশ্নপত্র যোগাড় করে তা সমাধান করুন। এতে আপনি কতদূর শিখলেন, নিজেকে যাচাই করা হয়। পড়তে বসার সময় ফোন, ল্যাপটপ সব দূরে রাখুন।

 বন্ধুরা কেউ কল/ টেক্সট করলে সেটার উত্তর পরেও দিতে পারবেন। পড়ার সময়টা শুধু পড়ার জন্যই রাখুন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠবে, পড়তেো তেমন খারাপ লাগবে না।

উপসংহার: পরিশ্রম ছাড়া সফল হওয়া যায় না!আর সফল হলেও তার মূল্য থাকে না।তোমার যতটুকু ক্ষমতা আছে তাই দিয়ে চেষ্টা করো।আশা করি তুমি সফল হবে ইনশাআল্লাহ

সূত্রঃ  সংগৃহীত


ভিডিওঃ




Next Post Previous Post
2 Comments
  • Samim
    Samim ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২ এ ৭:৩৩ PM

    দিনে কতক্ষণ পড়া উচিত

  • Samim
    Samim ২৯ মার্চ, ২০২২ এ ১২:৩০ PM

    দৈনিক কত ঘন্টা পড়া উচিত

Add Comment
comment url